,



লেখক ও স্থপতি তানভীর মাসুদের লেখালেখি ও বইমেলা নিয়ে সাম্প্রতিক আলাপচারিতা

Spread the love

বই শাশ্বত, বই চির তরুণ । বইয়ের গ্রহণযোগ্যতা ফুরালেও প্রয়োজনীয়তা ফুরানোর নয়। যুগে যুগে, কালে কালে সভ্যতার ক্রমবিকাশে বই আলোর পথ দেখিয়ে যাচ্ছে …

বই পড়ার সাথে জ্ঞানের সম্পর্ক অপরিসীম l বই পড়লে মানুষের জ্ঞানের দ্যুতি বাড়ে l আমাদের জীবসত্তা জাগ্রত থাকলেও মানবসত্তা জাগ্রত করার সিঁড়ি হচ্ছে বই। মানব সভ্যতার সূচনা থেকেই মানুষের পাঠ অভ্যাসের তথ্য পাওয়া যায়। মানুষ বই পড়ে মনের খোরাকের জন্য, অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য এবং নিজেকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার জন্য। জ্ঞানের সূচনা বই থেকেই এবং সে জ্ঞানকে সামগ্রিকভাবে কাজে লাগানোর দক্ষতা মানুষ বই পড়ে পেয়ে থাকে।  বলছিলেন- লেখক ও স্থপতি তানভির মাসুদ

তিনি আরো বলেন, মানুষের মননশীল, চিন্তাশীল, সৃষ্টিশীল চিন্তার যাবতীয় সূচনার বিস্ফোরণ একমাত্র বইয়ের মাধ্যমে হতে পারে
বই নিয়ে তিনি নিউজ আলোর যাত্রা কে আরো বলেন,আমি বই লিখি বই মেলাকে কেন্দ্র করে নয় । বরং আমি বই লিখি সাহিত্য কে,পাঠককে, এবং বই কে ভালোবেসে ।আমার লেখা-লেখিতে বিশেষ অবদান রেখেছে আহম্মেদ পাবলিকেশন। তার জন্য আমি আহম্মেদ পাবলিকেশনের  কাছে কৃতজ্ঞ।

 

 

দুঃসময়ের কবিতা,তনুর তন্দ্রা জগৎ,অ্যাঞ্জেল’স হ্যাভেন ও বহুল প্রকাশিত পাঠক প্রিয়তা পাওয়া বই দ্যা সাইলেন্স অব লাভ উইথ ডেডবডি এর লেখক তানভির মাসুদ । তিনি এখন ব্যাস্ত আছেন আন্তজার্তিক ভাবে লেখা লেখি নিয়ে । আন্তজার্তিক ভাবে ‘The unsolved theory” ও “Birth to death”নামক দু’টি বইয়ের জন্য ইতি মধ্যে তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছেন ।
লেখা লেখি ও স্থাপনা শিল্প নিয়ে ব্যস্ত থাকার পাশা-পাশি, সেভ দ্যা ওয়ার্ল্ড নামক একটি ফাউন্ডেশন নিয়েও কাজ করছেন তিনি ।

সবশেষে বলতে চাইঃ- বই পড়ি, জীবন গড়ি। কেননা বই মেলা হচ্ছে শুদ্ধ আত্মাদের মিলনকেন্দ্র

অারো খবর