,



যেন ক্যামেড়া দেখে পোজ দিচ্ছে গাঙ শালিকের দল

Spread the love

দেশের সেলিব্রেটি ফটোগ্রাফারদের মধ্যে তার নাম আগে উঠে আসে। তিনি আরিফ আহমেদ। জনপ্রিয় সব মডেল ও তারকাদের তিনি ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করেছেন সুনিপুণ হাতের জাদুতে। জনপ্রিয় এই আলোকচিত্রী শুধু শোবিজ ফটোগ্রাফির মধ্যে নিজের প্রতিভাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। ক্যামেরা নিয়ে তিনি বের হয়েছেন প্রকৃতি ও মাটির টানে; পথে-ঘাটে!

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে আরিফ আহমেদ দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ঘুরে বেড়িয়েছেন প্রকৃতির নান্দনিক সব মুহূর্ত বন্দি করতে। ধারাবাহিকতায় গেল রোজা ঈদের পর আরিফ আহমেদ গিয়েছিলেন লালনের শহর কুষ্টিয়ার জেলার দৌলতপুরে। সেখান থেকে পদ্মা নদীর বুক চিরে পাঁচ কিলোমিটার দূরে বৈরাগীর চরে তিনি সন্ধান পান বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির গাঙ শালিকের বাসা। যেটি পদ্মার পাড়ে মাটির স্তূপে বাসা বেঁধে বসবাস করছিল। সেসব গাঙ শালিকের কিছু মুহুর্ত তিনি ধারণ করেছেন তার ক্যামেরায়।

নন্দিত এই আলোকচিত্রী বলেন, ‘পদ্মা নদীর কলকল পানির শব্দ, তার পাড়ে মাটির স্তূপে বাসা বাঁধে গাঙ শালিকের পাল। এটা দেখেই খুব ভালো লাগে। অনেক কষ্ট করে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিকারির মত ক্যামেরা হাতে গাঙ শালিকের এই কিচিমিচি ডাকের সঙ্গে উড়াউড়ি, বাসা থেকে বের হওয়া, পাখিদের খুনসুটি এইগুলো ফ্রেমে ধারণ করি।’

তিনি বলেন, ‘আসলে আমরা যারা শহুরে নাগরিক তারা গাঙ শালিক অনেকেই ঠিকমত চিনিনা। কিন্তু আমাদের গ্রামাঞ্চলে এই পাখিগুলো একটা সময় খুব বেশি পাওয়া যেত। অনেকেই এগুলো খাঁচায় বন্দী রেখে পুষতেন। যেটা গাঙ শালিকের আরেক প্রজাতি ময়না শালিক নামে পরিচিত। কিছুদিন পর ময়না শালিক শীষ দিতে জানতো। তবে এসব পাখি এখন আর খুব বেশি দেখা যায় না।’

যোগ করে আরিফ বলেন, আমি চেষ্টা করি সবসময় ব্যতিক্রমী কিছু ক্যামেরায় ধারণ করে সবার কাছে পৌঁছে দিতে। সেই চিন্তা থেকে পাখিদের বিরল এমন মুহুর্তগুলো আমি সংগ্রহ করেছি। এই ভিডিওটি দেখলে নিজের শৈশবকে অনেকেই মনে করতে পারবেন।’

অারো খবর