,



বঙ্গবন্ধুর সেই ছবিটি এঁকেছে যে শিশু

Spread the love

পঞ্চম শ্রেণির শিশুর আঁকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দিয়ে কার্ড প্রকাশের পর আদালতে গিয়ে জামিন নিতে হয়েছে বরগুনার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনকে। এ নিয়ে দুইদিন ধরে ফেসবুকে চলছে সমালোচনার ঝড়।

তবে আলোচিত সেই ছিবিটি যে এঁকেছে সেই খুদে শিল্পী অদ্রিজ কর অদ্রি বলছে, ‘আমি আমার মতো করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ছবি এঁকেছি। তাকে আমরা সবাই শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি।’

অদ্রির বাড়ি বরিশালের আগৈলঝড়া উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রামে। পড়ে আগৈলঝড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে। তার বাবা পরিমল কর ব্যবসায়ী। মা পদ্মাবতী হালদার স্কুল শিক্ষিকা।

গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় ছবিটি এঁকে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে অদ্রিজ কর অদ্রি। পরে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে ছবিটি ব্যবহার করেন বরগুনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী তারিক সালমন।

এরপর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের ওই আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধুর ‘বিকৃত’ ছবি ছাপানোর অভিযোগ এনে আগৈলঝাড়ার সাবেক ইউএনও তারিক সালমনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয় গত ৭ জুন। পাঁচ কোটি টাকার মানহানির মামলাটি করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ওবায়েদুল্লাহ সাজু।

বরিশাল মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের (সিএমএম) বিচারক মো. আলী হোসাইন মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন

বুধবার দুপুরে ওই মামলায় বরিশাল সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান বর্তমানে বরগুনা সদরের ইউএনও তারিক সালমন। এর আগে একই আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন।বৃহস্পতিবার বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি দেখে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কর্মকর্তারাও বিস্মিত হন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও প্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বিবিসিকে বলেন, ছবিটি দেখে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ছবিটিতে বিকৃত করার মতো কিছু করা হয়নি। এটি রীতিমতো পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য।
শুক্রবার এ বিষয়ে অদ্রিজ কর অদ্রি বলে, ‘ বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা। তাকে আমরা সবাই শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। আমি আমার মতো করে জাতির পিতার ছবি এঁকেছি।’ সে বলে, ‘যেখানে যে রঙ দিলে ভালো হয়, সেই রঙ দিয়েই আঁকার চেষ্টা করেছি।’
অদ্রির বাবা পরিমল কর বলেন, ‘ছোট বাচ্চা, প্রতিযোগিতায় সে তার মন দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি একেঁছে। এতে তার প্রশংসা করা উচিত ছিল। কিন্তু হয়েছে তার উল্টো।

অারো খবর