,



পানির নীচে রাস্তা ভালো-ঢাকা উত্তর ট্রাফিক পুলিশ

Spread the love

টানা কয়েক দিনের থেমে থেমে বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়া রাস্তার অবস্থা বুঝানোর জন্য সাটিয়ে দেওয়া হয়েছে সাইনবোর্ড। ওই সাইনবোর্ডটিতে লেখা রয়েছে, ‘পানির নিচে রাস্তা ভালো’। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঢাকা উত্তর ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে সাইনবোর্ডটি দেওয়া দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর হোটেল রেডিসন সংলগ্ন মিরপুর গামী উড়াল সেতুর প্রবেশ মুখেই বুধবার দুপুরে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে মিরপুরগামী বনানীর উড়াল সেতুর প্রবেশ মুখ থেকে মাঝ রাস্তা পর্যন্ত তলিয়ে গেছে হাটু পানিতে। দেখে বুঝার কোন উপায় নেই, তলিয়ে থাকা পানির নিচে রাস্তার কি অবস্থা।

যার ফলে বাস, প্রাইভেটকার, মোটর সাইকেলসহ চলাচলরত চালকদের এমন পথে চলাচল করতে প্রতিনয়তই হিমশিম খেতে হয়। আর চালকদের হিমশিম থেকে রাস্তার অবস্থা বোঝানোর জন্য সড়কটিতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে সাটানো হয়েছে ‘পানির নীচে রাস্তা ভালো’ লেখা একটি সাইনবোর্ড।

দেশের সবচেয়ে ভিআইপি এ সড়কপথে এখন থৈ থৈ পানি মাড়িয়ে চলে গাড়ি। আবার অনেকেই পানির নিচে খাদ আছে কি-না তা নিশ্চিত হতে পারেন না। এ কারণে ফ্লাইওভারের রেলিং ঘেঁষে গাড়ি ওপরে উঠতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। যদিও ওই জায়গাটিতে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে। যা অচল হয়ে যাওয়ার ফলে পানি নিষ্কাশন তো দূরের কথা পূর্বের অবস্থাতেই রয়ে গেছে জায়গাটি।

তবে পথচারীদের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশের দায়সারা ভাবের কারণেই পুলিশের পক্ষ থেকে এমন সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। কারণ প্রতিনিয়ত উড়াল সেতুর প্রবেশ মুখে একজন ট্রাফিক সার্জেন্টসহ আরো দু’ একজন ট্রাফিক কনস্টেবল দেখা যায়। কিন্তু জায়গাটি বর্তমানে পানিতে একাকার থাকার ফলে তারা এখন আর নেই। এর পরিবর্তে দেওয়া হয়েছে সাইন বোর্ডটি।

অপরদিকে বিশ্বরোড এলাকার এক কর্মজীবী নারী অভিযোগ করে জানান, ওই সড়কের পানির সমস্যা নতুন নয়। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি তলিয়ে বেহাল দশায় পরিণত হয়। কিন্তু এর কোন সংস্কারের নাম গন্ধও নেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের। পূর্বে যা টুকিটাকি সংস্কার করা হয়েছিল, তা-ই রয়েছে। এ বছর আর কোন সংস্কারের দেখা মেলে নি।

তীব্র যানজটের কারণে উল্টোপথগামী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল জানান, মিরপুর গামী গাড়িগুলো রেডিসন পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি করে রেখেছে। এক জ্যাম এক ঘণ্টায়ও ছাড়ে কি না তাতে সন্দেহ রয়েছে। আর ওইদিকে আমার ডিউটির সময় হয়ে গেছে। যথা সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়ার জন্যই রঙ সাইডে চলা।

অারো খবর